একদিন সকালে প্যাঁচা ঘুমভাঙা রাগী রাগী কণ্ঠে বলে ওঠে—গান বন্ধ!
পাখিরা গান গাইবে না এটা কেমন কথা?
হইচই পড়ে যায় পাখিদের মধ্যে।
মাছ যেভাবে পানি ছাড়া বাঁচতে পারে না, পাখিরাও সেভাবে গান ছাড়া বাঁচতে পারে না। পাখিরা সূর্যের ঘুম ভাঙায়।
নদীর মিষ্টি কলতান পাখির সুরে তাল দেয়। পাখিরা ফুলের সুবাস নেয় গান গেয়ে গেয়ে। সেই পাখিদের গান গাইতে মানা করছে ভুতুম প্যাঁচা!
—কেন?
—কেন?
এরপর থেকেই শুরু হয় মজার কাণ্ডি। গানে গানে চলতে থাকে বাকবিতণ্ডা।
ভুতুম প্যাঁচা মূলত শিশুতোষ গীতিনাটিকা। এর সঙ্গে স্বরলিপি যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। যারা গান কিংবা অভিনয় ভালোবাসেন তারা বই দেখে দেখে সুর করে গাইতে ও অভিনয় করতে পারবেন।