“ওয়ান গুড ডিড” বইয়ের সংক্ষিপ্ত লেখা: জেলখানা থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পোকা সিটিতে চলে এল দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধের সৈনিক অ্যালোয়সিয়াস আর্চার; কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না,সেসবের লম্বা একটা তালিকা আছে সঙ্গে। প্রথম রাতেই ধনকুবের পিটলম্যান আর তার রক্ষিতা জ্যাকির সঙ্গে পরিচয় ঘটে গেল ওর। ওই মেয়ের বাবার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান পিটলম্যান,সে-ঋণের জামানতের ক্যাডিলাক গাড়িটা উদ্ধার করে দেওয়ার কাজ পেয়ে গেল। প্যারোল-অফিসার আর্নেস্টিন ক্র্যাবট্রির কাছে হাজিরা দিতে গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ল মেয়েটার প্রতি। ক্যাডিলাকটা উদ্ধার করতে গিয়ে দেখল,কে বা কারা যেন আগুন লাগিয়ে দিয়েছে সেটাতে। খবরটা পিটলম্যানকে জানাতে গিয়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে গেল জ্যাকির সঙ্গে। এবং পরদিনই পাওয়া গেল এমন একজনের লাশ,যাকে খুন করার পেছনে আর্চারের একাধিক মোটিভ আছে বলে ধারণা তদন্তকারী অফিসারের। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ঘোলাটে,পকেট বলতে গেলে গড়ের-মাঠ,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় এক নম্বরে উঠে গেছে নাম,ওদিকে জ্যাকি আর আর্নেস্টিন একসঙ্গে আকর্ষণ করছে চুম্বকের মতো। হিসাবে একচুল গণ্ডগোল হলে বাতিল হয়ে যাবে প্যারোল,আবার ঢুকতে হবে জেলখানায়। এমনকি ঝুলতে হতে পারে ফাঁসিতেও। নিজেকে বাঁচাতে এখন কী করার আছে আর্চারের?