একটু আগে হাসান মীর্জার চাকরি হয়েছে মফস্বল শহরের একটা কলেজে। শহরটা ছোট। সামনে পেছনে দুটো নামকরা নদী। নদীর গৌরব এবং জলপথে বাণিজ্য- শহরটাকে কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ করেছে।
তা করুক। তবে হাসান মীর্জা এখনও যেন স্বপ্নের ভেতর আছে খানিকটা। বিশ্বাস হচ্ছে না তার একটা চাকরি হয়েছে। মাস গেলে যে পাবে চারশো পঁচাত্তর টাকার মাইনে।
না, তাকে কোনো ইন্টারভিউর মোকাবেলা করতে হয়নি। সে নিয়ে এসেছিল তার নিজের মহকুমা শহরের খুব নামকরা আজিমউদ্দিন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মৌলবী (সম্মানার্থে) মতিউর রহমানের একটা চিঠি। প্রিন্সিপাল সাহেব তাঁর ছোট ভাই। হাসান মীর্জাকে কিছুক্ষণ বাইরে বসিয়ে রেখে, পরে একান্তে ডেকেছিলেন লম্বা, শ্যামবর্ণ, ঋজ চেহারার প্রিন্সিপাল সাহেব।