“প্রতিটি মানুষই বাহ্যিক ও অন্তর্গত দিক থেকে ভিন্ন। তাই মানুষের বুকের খাঁচায় পুষে রাখা হৃদয় পাখিটির ভাষাও হয় বিভিন্ন রকম। জীবনের পথে কখনো কখনো দুইটি মানুষ একসাথে অনেকটা পথ হেঁটেও সেই পাখির ভাষা বোঝে না। আবার সম্পূর্ণ ভিন্নরকম দুইটি হৃদয় পাখি একে অন্যের ভাষা অবলীলায় বোঝে। কেন এমন হয়? কী সেই ভাষা যা বোঝা না বোঝার দোলাচালে মানুষের জীবন হয় উথাল-পাতাল?
কিছু মানুষের হৃদয় পাখির ভাষাকে জীবনের গল্প আকারে তুলে ধরার প্রয়াসই “”যাও পাখি বলো তারে।”””