বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
গভীর গোপন এক কষ্ট বাসা বেঁধেছে তিথির বুকে। অসহ্য যন্ত্রণা তার। মেঘের মতো একখণ্ড কান্না বুকের ভেতরে ভাসতে থাকে, ঘুরতে থাকে। বুকের ভেতরের মেঘটা কিছুতেই বৃষ্টি হয়ে নেমে আসে না চোখের পাতায়।
এরকম এক এলোমেলো দিনেই জহিরের সাথে দেখা হলো তার। গ্রামের স্কুলের সাদামাটা এক ইংরেজি শিক্ষক জহিরকে নিয়ে এ কোন স্বপ্ন দেখা? কত ছেলেই তো কতবার বলল, ভালোবাসি। কতজন বলল, তিথিকে না পেলে মরে যাবে তারা। কতজনকে তুচ্ছ করল সে।
তাহলে, জহিরের জন্য বুকের ভেতরে আজ কেন এমন করবে তার? কেন ইচ্ছে হবে তার বুকে লুটিয়ে পড়ে একটু কাঁদতে। জহিরের হাত ধরে তাহলে কি তিথির আজ মেঘমুক্ত হওয়ার দিন?