আফগানিস্তানে আমি আল্লাহকে দেখেছি
সাম্রাজ্যের কবরস্থান খ্যাত আফগানিস্তানকে একের পর এক সামরিক পরাশক্তি দখল করার চেষ্টা করেছে বিভিন্ন যুগে। এরই ধারাবাহিকতায় এসেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন!কিন্তু তারা আফগান মুজাহিদদের হাতে এমন মার খেয়েছিল, যার ক্ষত দীর্ঘদিন পর্যন্ত ভুলতে পারেনি! বিস্মিত হয়ে তারা ভাবতো, কী এমন শক্তিবলে আমাদের এত এত আধুনিক অস্ত্রের বিপরীতে আফগান মোল্লারা প্রতিরোধ গড়ে তুলছে সামান্য টুকিটাকি কিছু অস্ত্র দিয়ে!তারা প্রায় পাগলপারা হয়ে গিয়েছিল চোখের সামনে একের পর এক আফগান মুজাহিদদের বীরত্ব ও সাহসিকতা দেখে!অতঃপর একদিন তাদের সেই না-পাওয়া-উত্তর পাওয়া যায় একজন ফরাসি সাংবাদিকের জবানে।তিনি বলেন, আফগানিস্তানে আমি আল্লাহকে দেখেছি!
দ্য প্রিন্সেস অব উইঘুর
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিমরা কয়েক দশক ধরে নির্যাতিত এবং সকল প্রকার ধর্মীয় ও মানবিক অধিকার বঞ্চিত। তাদের অধিকার আদায়ে বিশ্বব্যাপী আওয়াজ তুলে যাচ্ছেন ডক্টর আবদুল্লাহ হাইয়ান। হঠাৎ একদিন অপহরণ করা হয় তাকে। অপহরণকারীদের পিছু নিয়ে ভয়ংকর এক চক্রের সন্ধান পেয়ে যায় ডক্টর আবদুল্লাহ হাইয়ানের ছেলে আবদুল্লাহ কাইফি ও মেয়ে শাহজাদি। কৌশলে ছদ্মবেশ নিয়ে চক্রের ভেতর ঢুকে পড়ে শাহজাদি। বিপদের মুখোমুখি হয় মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও।কিন্তু তারপর?
শাহজাদি কি তার পরিচয় গোপন রাখতে পেরেছিল? সে কি খুঁজে পেয়েছিল ডক্টর আবদুল্লাহ হাইয়ানকে?পাঠক, শ্বাসরুদ্ধকর এক কাহিনি-কাব্যের ভাঁজ খোলার প্রস্তুতি নিন!
দ্য টাইগার অব ফিলিস্তিন
দ্য টাইগার অব ফিলিস্তিন আমেরিকান মেকানিক্যাল অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি থেকে দারুণ এক জিনিস হাতিয়ে নিয়েছে রানিয়া। জিনিসটা হামাসের এজেন্ট জামাল মুয়াম্মারের হাতে তুলে দিতে গিয়ে দেখে, মোসাদ তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে! এরপর সেটা হামাসের আরেক কর্মী সাফিয়ানার হাতে তুলে দেয় রানিয়া। কিন্তু তাকে জীবন দিয়ে চুকাতে হয় এর মূল্য। জিনিসটা এখন সাফিয়ানার হাতে। তারও পিছু নিয়েছে মোসাদ। মরার আগে জিনিসটা কোনো রকমে তুলে দিতে পারল তার হবু স্বামী আলি নামের এক বাংলাদেশির হাতে। আলি কী করবে? চার চারটি খুনের পরোয়ানা ঝুলছে তার মাথার উপর। এফবিআই, সিআইএ এবং মোসাদ একযোগে খুঁজে বেড়াচ্ছে তাকে! সে কি পারবে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে আমেরিকা থেকে পালাতে? এমনই শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলার ফিকশনের রোমাঞ্চ নিয়ে মলাটবদ্ধ—’দ্য টাইগার অব ফিলিস্তিন’। সায়ীদ উসমানের থ্রিলার ফিকশন মানেই উত্তেজনা। তাতে একসাথে ডালপালা মেলেছে আমেরিকা, বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের প্রেক্ষাপট!
কাশ্মীরের শাহজাদী
লন্ডন সেন্ট্রাল কারাগার থেকে উনিশ বছর জেল খেটে বের হয়ে এলেন একজন মানুষ! অতঃপর পেছনের দিনগুলোর কথা ভাবতে ভাবতে আনমনে যখন লন্ডনের চিরচেনা পথে হাঁটছিলেন, আচমকা একজন জিজ্ঞেস করলেন, আপনি জাইহান কাশ্মিরি না?
এরকম সিম্পলভাবে একটা গল্পের শুরু! কিন্তু কাশ্মিরের গল্পগুলা কি আসলেই অমন সিম্পল হয়! গল্পের ভেতরে আরও কি থাকে না গল্পের ডালপালা, যা আমাদের নিয়ে যায় রহস্যময় এক রোমাঞ্চে! এই গল্পে প্রতীক্ষা করে বসে আছে কাশ্মির, তার বুনো অরণ্যের অভিজাত বেদনামাখা উপাখ্যান নিয়ে।
প্রিয় পাঠক, কাশ্মির নামটা শুনলেই কেমন যেন একটা মাদকতাময় ঘ্রাণ ছড়িয়ে যায় আমাদের হৃদয়ে। একটা পবিত্র অনুভূতি হয় সবার মাঝে—যা সৌন্দর্য ও বেদনার, যা যুদ্ধ ও সংগ্রামের, যা আবেগ ও ভালোবাসার।
অটুট পাথর
আফ¢গান নিয়ে আমাদের জানাশোনা, কৌতুহল ও আবেগকে উস্কানি দিতেই অটুট পাথরের গল্প!
সমকালীন আফ∞গানকে বুঝতে হলে, নিকট ইতিহাসকে সত্যের পাটাতনে দাঁড়িয়ে দেখতে হলে এবং তালেΠবানদের সাহসিকতা, বৈশিষ্ট্য ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো সে ভূমিতে পরাস্ত হওয়ার রহস্যকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে হলে এ বই অবশ্যপাঠ্য। নিকট আফ℅গান নিয়ে যারা গবেষণা করবেন, তারা বইটি অতিক্রম করে যেতে পারবেন না, বলাই বাহুল্য।