পাবলিশার’স নোট,
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র এই ৯টা লেখার মধ্যে সবচেয়ে আগের লেখাটা ১৯১৭ সালের, আর সবচেয়ে পরের লেখাটা ১৯৪৮ সালের। বাংলা-ভাষার শুরু কোন সময় থিকা, এর গঠন বা ব্যাকরণ কেমন হইতে পারে এবং এর সামাজিক ব্যবহার কেমনে করা যাইতে পারে — এই নিয়া হইতেছে লেখাগুলা।
এখন মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র লেখাগুলো যে হারায়া গেছে — তা না, বরং ‘খেয়াল না করতে পারার’ বা এক ধরনের ইনটেকচুয়াল ইনভিজিবিলিটি’র মধ্যে আছে। মানে, বাংলা-ভাষায় এই যে কথার লগে লেখার মিল নাই মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সেইটারে না-জানা বা ভুল-জানা বা ঠিকমতো বুঝতে-না-পারা হিসাবে ভাবতে রাজি থাকলেও, এইটা খালি বেয়াকরণের সমস্যা না, বরং শোশিও-পলিটিক্যাল ঘটনাই অনেকটা। ভাষা একটা কালচারাল উপাদানই না, পলিটিক্যাল টুল। আর বানান এর একটা খুবই ক্রুশিয়াল পার্ট। এই জায়গা থিকা না দেখতে রাজি হইলে ভাষা ও বানান নিয়া গোঁড়ামি (আসলে এলিটস্ট পজিশন) কখনোই ছাড়তে পারা পশিবল না।
এখন মুহম্মদ শহীদুল্লাহ যা বইলা গেছেন, তা আমাদেরকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে — ব্যাপারটা কখনোই তা না, কিন্তু যেই বেইজ থিকা উনি কথাগুলা বলতেছেন সেইগুলারে আমলে না নিয়া, বরং ভাষা বিষয়ে আলাপে সামনে না রাখাটা কোন কাজের জিনিস না আর কি! পুরান লেখা হইলেও এই লেখাগুলার অনেকগুলা আর্গুমেন্ট-ই এখনো ভ্যালিড আসলে। তো, লেখাগুলা পড়তে পারেন, আবার।
আপনার এই প্রজেক্টের জন্য আর কোনো ছবি কি বাকি আছে? অথবা এই লেখাগুলো নিয়ে যদি কোনো এডিটিং বা ফরম্যাটিংয়ের প্রয়োজন হয়, আমাকে নির্দ্বিধায় বলতে পারেন। আমি কি এই টেক্সটগুলো দিয়ে আপনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্ট ফাইল গুছিয়ে দেব?