কোনাে বিষয়ে শুধু কৌতুহল নয়, জ্ঞান ও ব্যাপক অভিজ্ঞতা ছিল হামদির। আসামে থাকতে অনেক খননে অংশ নিয়েছেন। তাঁর প্রথম জীবন সঙ্গিনী (হামদি বিবাহ নামক সামাজিক অনুষ্ঠান কখনাে করেননি) জামাল আরা পক্ষীবিশারদ হিসেবে নাম করেছিলেন ও সেলিম আলির সঙ্গে কাজ করেছিলেন। তাঁর শিক্ষা হামদির কাছেই হয়েছিল। আর তার রক্তে ছিল গান। এই একটি ব্যাপারে পশ্চিমপ্রীতি ছিল না তার। ভারতীয় সঙ্গীতে ছিল তার আগ্রহ। পারিবারিক সূত্রে বহু বাইজির সংস্পর্শে এসেছিলেন। সেই মতিহারি, ভাগলপুর, কাশী, লক্ষ্ণৌ, কলকাতার বাইজিদের জগৎ থেকে তাঁকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছিলেন মানবেন্দ্রনাথ রায় । এই মানবতাবাদী তাঁকে দিয়েছিলেন পথিবীর স্বাদ। বিহারি নন, মুসলমান নন, ভারতীয় নন, বিশ্বনাগরিকে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন হামদি, এই রাজনৈতিক দার্শনিককে ভালােবেসে ও শ্রদ্ধা করে। ঘােষিতভাবে তিনি মানবেন্দ্রকে গুরুপদে বরণ করেছিলেন।