চিকি তার মা ও দুই বোনের সঙ্গে উমুওফিয়া গ্রামে থাকে। তার বাবা মারা গেছেন অনেক বছর আগে। তিনটি শিশুর খাওয়া-পরা ও ইস্কুলে পড়ার ব্যবস্থা করতে চিকির মাকে অনেক খাটাখাটনি করতে হয়। প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ খাবার তিনি নিজেই চাষ করেন; যেমন, ইয়াম, কাসাভা, মেইজ, মটরশুঁটি, প্যানটেইনসহ সবুজ নানান শাকসব্জি। এছাড়া, তিনি শুঁটকিমাছ, পামতেল, কেরোসিন ও দিয়াশলাইয়ের ব্যবসা করতেন।
চিকির বয়স এখন এগারো। সে কখনো গ্রাম ছেড়ে বাইরে কোথাও যায়নি। তার মা একদিন বললেন, নতুন বছর এলেই সে ওনিৎশায় গিয়ে মামার সঙ্গে থাকবে।