এই লেখার বিবিধ সূচনা। শেষটা দিয়েই শুরু করা যাক। ২০১৮ সালের কথা। আমাদের যুক্তরাষ্ট্রনিবাসী কবিবন্ধু সৌম্য দাশগুপ্ত ফোন করে বললেন, আমাকে কলকাতা যেতে হবে। অগ্রবীজ নামে নিখিল বঙ্গীয় যৌথ সম্পাদনায় যে পত্রিকাটি তাঁরা প্রকাশ করে আসছেন, সে পত্রিকা আর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলিত উদ্যোগে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। জোড়াসাঁকোতে ঠাকুর পরিবারের বাড়িতে-যেটি এখন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়েরই আঙিনা—দু দিন সে কর্মশালা চলবে। আমাকে সেখানে একটি প্রবন্ধ পড়তে হবে। অফিসের কাজের চাপে দীর্ঘ কোনো প্রবন্ধ লেখার অবকাশই আমার ছিল না।