পিআইএর ঢাকা-ত্রিপোলি-এন্টেবির টিকেটে গমন করে উগান্ডা না যেয়ে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতেই নেমে পড়েছিলাম ১৯৭৮ সালের ৩১ শে মে। সে সময় ডাক্তারদের বিদেশ গমনে প্রবল নিষেধাজ্ঞা। আমার উগান্ডায় যাবার সরকারি অনুমতি ছিলো। এক কন্ট্রাক্ট কাজ করে ছুটিতে এসেছিলাম। ইতোমধ্যে লিবিয়ায় চাকরি হয়েছে। নতুন করে অনুমতি নাও পেতে পারি। সেজন্যই এমন করা।
বইটিতে লিবিয়ার অবিস্মরণীয় নেতা কর্নেল গাদ্দাফী,সেখানকার বিয়েতে কনের সতীত্ব পরীক্ষা,অন্যান্য সামাজিক ব্যবস্থা, ১৯৮৩ সালের হজ এবং সেখানকার জনপদ নিয়ে মনোমুগ্ধকর বর্ণনা রয়েছে। পড়তে পড়তে পাঠক-পাঠিকা কল্পনায় ভেসে যাবেন সেখানের পৃথিবী বিখ্যাত সাহারা মরুভূমির বিচিত্র জগতে। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখযোগ্য ভূ-মধ্যসাগর তীরে উত্তর আফ্রিকাতে লিবিয়া একটি বিশাল দেশ। আয়তন ১০৭৬ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার। দেশটি তেল সমৃদ্ধ এবং অধিকাংশ অঞ্চলই মরুভূমি। ভ্রমণ কাহিনীটি নূর জাহান বেগম সম্পাদিত সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে তুমুল পাঠক প্রিয়তা পেয়েছিলো। এমন কি এই লেখিকাকে স্বাগত জানাতে লিবিয়ান দূতাবাসের প্রতিনিধি বেগম অফিসে নূর জাহান বেগমর কাছে এসেছিলো।