খুন হয়েছে তানিয়া। সন্দেহের তীর স্বাভাবিকভাবেই বন্ধু রেজওয়ানের ওপর। কিন্তু সেই আত্মস্বীকৃত খুনি—ই যদি পুলিশি জেরার মুখে আত্মহত্যা করে বসে,তবে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে কীভাবে? অন্যদিকে দীর্ঘদিনের বিচ্ছেদে থাকা তানিয়ার বাবা—মা! নিশ্চুপ কেন তারা? তাদের সমস্যাটাই—বা কী? মানুষ কেঁচো খঁুড়তে সাপ পায়। এরপর দেঁৗড়ে পালায়। কিন্তু সমত রহমান তানিয়া হত্যাকাণ্ডে খঁুজে পেয়েছেন ড্রাগন। তবে দেঁৗড় দেবার সুযোগটুকু অবধি মেলেনি। ঘটনার ঘনঘটা আর আকস্মিকতা ইসল্ট—এর ড্রাগনের মত হাতে—পায়ে জাপটে ধরেছে তাকে। সোনালি দুঃখ উপন্যাসের শিক্ষা অনুসারে ছুরিও বের করে রেখেছেন তিনি। কিন্তু মুশকিল হলো জিভ খুঁজে পাচ্ছেন—না। কোপ্টা প্রথম মারবেন কোথায় ড্রাগনটার? রহস্য উদ্ঘাটনের শুরুটা হবে কীভাবে? কীসের জন্য শুরু এই হত্যাযজ্ঞ!