“মৌ” বইয়ের প্রথম ফ্ল্যাপ এর লেখা:
দ্বীপ এবং মুক্তি দুজন একই মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্ট। দুজন দুমেরুর মানুষ। এদের মধ্যে বন্ধুত্ব হওয়ার কথা ছিল না, হয়ে যায়। এই দুজনকে বন্ধুত্বের বাইরে আরেকটি সম্পর্কে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে কেউ কেউ। দ্বীপের পত্রমিতা মৌ। রাজনীতির অরাজনৈতিক বিষয়ে, নিজেদের ভালাে-মন্দ লিখতে লিখতে এক সময় দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়, দেখা হয়, থমকে যায় দুজন। দুজনকে দেখে। কিন্তু মানুষের নিউরন বড়। রহস্যময় এই নিউরন মানুষকে দিয়ে কত কিছুই না করিয়ে নেয়। নিউরনের এই রহস্যময়তার জাল কেটে, বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে অভিজাত ঘরের মেয়ে মৌ। বেরিয়ে আসতে পারে না। কেউ কি পারে?