"পুরাণ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান" বইটির শেষের ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ
রাতের আকাশের বুকে তারার ছন্দে প্রজ্জ্বলিত রেখাচিত্রদের কিছুটা বিশদভাবে জানতে গেলে আমরা যেন একেক কালের একেকটি গল্প খুঁজে পাই। যুগে যুগে পৃথিবীর মানুষেরা নিজেদের জীবন, কল্পনা, ইতিহাস আর ধর্মকে অন্তহীন মহাশূন্যের নিকষ কালাে ফলকে লিপিবদ্ধ করে গেছে। তারার অক্ষর কুঁদে সাজিয়েছে সে সমস্ত গাথা; নিজেদের দেব-দেবতা, নায়কমহানায়ক পরম পূজনীয় এমনকি দুর্জয় অশুভকেও করে গেছে অমর। গ্রীক, রােমান, ভারতীয়, মিশরীয়, চীনা, আরবসহ বিভিন্ন দেশের আদিবাসীদের নানা গল্পকাহিনী আর চরিত্র কল্পনা মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে রাতের আকাশের এই অজস্র তারার ভিড়ে। তারামন্ডলদের নানা রূপে আকাশের বুকে চিত্রায়িত করা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই চিত্রগুলাের উত্স আসলে কী? কেই বা জন্ম দিয়েছে এই হৃদয়গ্রাহী নামগুলাের? দেশে দেশে এই নামকরণের মাঝে অন্ত্যমিল লক্ষ্য করা যায় কেন? প্রাচীনকালের আকাশ আর বর্তমানের আকাশে তারাচিত্রগুলাে কি একই অবস্থায় আছে? সৃষ্টির আদি আর প্রাথমিক এ প্রশ্নগুলাের উত্তর খোঁজারই চেষ্টা করা হয়েছে এই বইটিতে।