মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে আসতেই ট্রেনের সিগনাল বেজে উঠলো। সহজেই পার হওয়া যায় এমন দূরত্বে আছে শরীফ। কিন্তু সামনের হিউম্যান হলারটার রেলক্রসিং পার হওয়ার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ড্রাইভার মনে হয় শেষ যাত্রী না নিয়ে যাবেনা বলে মনে মনে ঠিক করেছে। গেট নেমে যাওয়ার শেষ মুহুর্তে তীরবেগে সে পার হয়ে গেলো।
শরীফের এত ঝুঁকি নেয়ার কারণ নেই। তারপরেও সে ভয়ে আছে। কয়েকফিট দুরেই রেলগেটের লোহার বার। পিছন থেকে কোন গাড়ি ধাক্কা দিলেই সরাসরি চলন্ত ট্রেনের নিচে যেতে হবে। রেলগেটের সামনে বসে থাকতে তার কখনই ভালো লাগে না। ট্রেনের চাকা থেকে ছুটে আসা পাথর খুবই ভয়ঙ্কর জিনিস। গাড়ির কাঁচ মুহুর্তেই ভেঙ্গে ফেলতে পারে। এরপর আছে চোখ হারানোর ভয়।