শনিবার। অমাবস্যার রাত। শিহাবের কাছে কে আসবে ঠিক রাত বারোটায়? অলৌকিক কিছু, আরেকটা শিহাব—বৃদ্ধ শিহাব, নাকি পুরোটাই বিভ্রম? আতঙ্কিত আর শ্বাসরুদ্ধকর প্রতীক্ষা শিহাবের।
আহা, কত ছোট্ট এই জীবন! মাত্র আঠারো বছর বয়স তার। জীবনটাকে চেখে দেখার সাধ ছিল। ইচ্ছে ছিল প্রিয় কোনো বইয়ের চরিত্র হবে—সুনীলের, শীর্ষেন্দু কিংবা সমরেশের অথবা হুমায়ূন বা বুদ্ধদেবের। জগৎ-সংসারের হাল ছেড়ে দিয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো এগিয়ে গেল শিহাব। এলোমেলো পা ফেলে কাঁপা হাতে দরজা খুলে দিল। অতঃপর...।
ওদিকে অদ্ভুত সব গল্পের ঝাঁপি খুলে বসে থাকেন মনোবিজ্ঞানী প্রফেসর আবু সালেহ। তাঁর গল্প শুনে বিশ্বাস জন্মে—আমরা চাইলে শিহাব বাঁচবে, সুস্থভাবেই বাঁচবে। শিহাবরা বেঁচে থাকুক। এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।