মৌজাটি নিতান্ত ছোট নয়। অগ্রহায়ণ হইতে জরিপ চলিতেছে,থানাপুরি শেষ হইল এতদিনে। হিঞ্চে-কলমির দামে আঁটা নদীর কূলে বটতলায় কাছাকাছি সারি সারি তিনটি তাঁবু পড়িয়াছে। চারিদিকে বিস্তীর্ণ ফাঁকা মাঠ। শঙ্কর-ডেপুটি সদর ক্যাম্প হইতে আজ আসিয়া পৌঁছিয়াছে। উপলক্ষ একটা জটিল রকমের মকদ্দমা। ছোকরা মানুষ,ভারি চটপটে-পত্নীবিয়োগের পর হইতে চাঞ্চল্য যেন বাড়িয়া গিয়াছে। আসিয়াই আমিনের তলব পড়িল। আমিনকে ডাকিতে পাঠাইয়া একটা চুরুট বাহির করিল। চুরুটের কৌটায় সেই সাত মাস আগেকার শুকনো বেলের পাতা ক’টি এখনও রহিয়াছে। সাত মাস আগে একদিন বিকালবেলা তাহাদের দেশের বাড়িতে দোতলার ঘরে ঢুকিয়া শঙ্কর জিজ্ঞাসা করিয়াছিল,’সুধারানী,কালকে কি বার?’ সুধা বলিয়াছিল,’পাঁজি দেখগে যাও,আমি জানি নে। তারপর হাসিয়া চোখ দুটি বিস্ফারিত করিয়া বলিয়াছিল,চলে যাবেন,তাই ভয় দেখানো হচ্ছে! ভারি কিনা ইয়ে-‘