ফ্যা-শ।’ না,বোধহয় আওয়াজটা ঠিক বোঝান গেল না। শুধু লেখা অক্ষরের মারফত বোঝান যায়ও না বোধহয়। ও আওয়াজ ধরবার মতো বর্ণপরিচয় কোনও ভাষাতেই তৈরি হয়নি। শুধু উদাহরণ দিয়ে একটু বোঝাবার চেষ্টা করা যেতে পারে। কী উদহারণ দেব? এই যেমন একজোড়া কোরা কাপড় মাঝখান থেকে ধরে দুহাতে ছিঁড়ে দুফাঁক করা। না,শুধু তা-ই নয়,সে-কাপড় ছিঁড়ে দুফাঁক করার শব্দের সঙ্গে একটা ডুকরে-উঠতে-চাওয়া কান্নাকে যেন প্যাঁচানো ছিপি ঘুরিয়ে চেপে দেওয়া। আওয়াজ যেমনই হোক,ভড়কালাম না। ভড়কাব কেন? খুঁজে পেতে সাধ করে এমন একটা ডাকসাইটে কম-সে-কম দুশো বছরের পোড়ো বাড়িতে রাত কাটাতে এসেছি,এমন দু-চারটে বুকের রক্ত-জল-করা আওয়াজ শুনতে হবে না! এ আওয়াজ তো শুধু উপক্রমণিকা মাত্র।