খুলনা শহরের প্রান্তে,জঙলে বন্যপ্রাণীর আক্রমনে বিকৃত পরিচয়হীন এক মেয়ের লাশ পাওয়া গেল। সিআইডির খুলনা ব্রাঞ্চের অফিসার আফসার আহমেদ আর ইরহাম কাওনাইন তদন্তে নামে। সে রহস্যের তদন্ত করতে না করতে প্রভাবশালী এক ব্যবসায়ীর মেয়ে নৃশংসভাবে খুন হয়ে গেল। প্রচলিত সব বর্বরতাকে ছাপিয়ে মেয়েটাকে শহরের এক প্রান্তে ঝুলিয়ে রেখে যায় খুনি। দুইটা খুনের মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে? একটি রহস্যের আবরণ সরাতে না সরাতে কাওনাইনের সামনে আরেকটি রহস্যের আবরণ বের হয়ে আসে। সন্দেহের তীর একেকবার একেকজনের দিকে গেলেও মূল খুনি দৃষ্টির আড়ালেই রয়ে যাচ্ছে। এদিকে কেসের সাথে কাওনাইনের ব্যক্তিগত জীবন জড়িয়ে গেল। অতীত থেকে আসা কেউ ওকে খুন করতে চায়। একের পর এক আক্রমণের শিকার হতে লাগল সে। পাশাপাশি উপর থেকে চাপ আসা সত্ত্বেও তদন্ত চালু রাখে কাওনাইন। এই রহস্যের শেষ দেখতে চায় সে। তদন্ত শেষে বের হয়ে আসে এক নিষ্ঠুর সত্য। ভালো মন্দ মিলিয়েই মানুষ। এই দ্বৈত বৈশিষ্ট্যের তারতম্যই নির্ধারন করে কে ভালো আর কে মন্দ। এই উপন্যাসের সব চরিত্রের মধ্যেই মিশে আছে এই দ্বৈততা। ভালো মন্দের এই দ্বন্দে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম।