কবিতা যেন বর্ণমালার বায়স্কোপ। কবির মনের কথাগুলো ফুটে ওঠে ছবির মতো। খুব সহজেই অনুভব করতে পারি কবিতায় উচ্চারিত প্রতিটি মনোহর শব্দমালা।
জননী জন্মভূমি, প্রকৃতি, পরিবেশ, সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, চাওয়া-পাওয়া, অন্যায়-অত্যাচার, সত্য-সুন্দর নিত্যকার অনুষঙ্গ আমার কবিতার বিষয়বস্তু। উদ্দেশ্য কেবল নিজের বোধ ও উপলব্ধির যথার্থ প্রকাশ। হতাশা নয়, আশার স্বপ্ন হোক কবিতার বুনিয়াদি কল্পনা। গোলাপের সৌন্দর্য ও সুরভিতে যেমন মোহিত হই। ঠিক তেমনি ঘাস ফুলের সৌন্দর্যেও বিস্মিত হই।
নিবিড় কবিতা পাঠ একজন পাঠককে আরও বেশি নান্দনিক করে। কবিতা তখনই প্রাণ পায় যখন পাঠক কবিতার মূল রস আস্বাদন করতে পারে। সাধারণের কথা যখন সর্বসাধারণের হয়ে ওঠে তখনই কবিতার সার্থকতা।