‘একটা কবিতা তার হলো না কোথাও ছাপা, পেল না সে প্রতিভার দামটা।’ একসময় নিজেকে সেই ‘কফি হাউজের’ অমল মনে হতো। হাজার তিনেক কবিতা লিখেও প্রকাশ করার মতো কোনো প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পাইনি। মঞ্চহীন শতরঞ্জিতে আমি এক দুর্বোধ্য আঁধারে আবদ্ধ ছিলাম। তারপর বহুদিন পর যখন জ্যোৎস্নার আলোতে নাইতে নামি, মনের ভেতর উঁকি দেয় সেই অসহায় আর্তনাদের প্রতিবিম্ব। আর সেই দায়বদ্ধতা মাথায় রেখে কারুবাক-এর স্বত্বাধিকারী প্রকাশক গোলাম কিবরিয়ার অনুপ্রেরণায় শুরু করি পৌরাণিক আক্ষেপ বিয়োজনের কাজ। সফলতার চৌহদ্দি যখন দখলে নিলাম, সুখানুভূতির ঘ্রাণে বিনীত হই। অনেক গুণী মানুষকে একত্র করতে পারার এই আহ্লাদিত সুখ আমার স্পৃহাকে সুপ্রশস্ত করেছে। নবীন এবং প্রবীণ কবিদের একই ফ্রেমে আবদ্ধ করে উৎফুল্ল আগামীর সুদিনে পৌঁছে যাব ইনশা আল্লাহ। কবিতায় বেঁচে থাকুক কবির প্রশস্ত হৃদয়ের স্পন্দন। অমর হোক কবি ও কবিতা। যৌথ কাব্যগ্রন্থের অগ্রগতির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক নিরন্তর।