আকাশে বাতাসে এখন বারুদের গন্ধ। কিছুক্ষণ পরপর গুলির আওয়াজ। মানুষের আর্তনাদে বাতাসটা যেন ভারি হয়ে এসেছে। স্বৈরাচারের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেছে অনেক শিশুর বুক। তবে ভয় পেয়ে মানুষ থেমে থাকেনি, একজন মরলে আরো দশজন দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। এখন ঘরেও মানুষ নিরাপদ নেই।
জুলাইয়ের সেই মর্মান্তিক দিনগুলোকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ‘বুলডোজার’ বইটিতে। ’৭১ দেখিনি, দেখেছি ’২৪! আইয়ুব, টিক্কা, ইয়াহিয়াকে দেখিনি, দেখেছি হাসিনা ও তার দোসরদের! অনেক বছরের আবর্জনা যেভাবে বুলডোজার-এর সাহায্যে ধ্বংস করা হয়, তেমনি ষোলো বছরের স্বৈরাচারের গড়া আবর্জনাকে ধ্বংস করতে গড়ে উঠেছিল ছাত্র জনতা। যাকে রূপকর্থে বলা হচ্ছে বুলডোজার। তাই বইটির নাম রাখা হয়েছে ‘বুলডোজার’।