বাংলাদেশে জগদ্দল পাথরের মতো ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত শাসন ক্ষমতায় চেপে বসে থাকা স্বৈরশাসককে হটানোর মরণপণ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন এদেশের অকুতোভয় সংগ্রামী ছাত্র-জনতা। সে আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে জুলাইয়ে আর অবসান হয় ৫ই আগস্ট। এই অভূতপূর্বঐতিহাসিক বিপ্লব এর মহান বিজয় দিবসকে জুলাইয়ের সম্প্রসারিত দিন হিসেবে ‘ছত্রিশ জুলাই’ নামে অভিহিত করা হয় । কবি এই ঐতিহাসিক মহান দিনকে মুক্তির মঞ্চ বা মুক্তির পাদপীঠ হিসেবে অলঙ্কৃত করেছেন।
এই কাব্যে ভয়ংকর রক্তপিপাসু স্বৈরশাসকের নিরীহ, নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার মহান আন্দোলনকে নিষ্ঠুর-নির্মম-বর্বর-পাশবিক পন্থায় খুন-জখমের মাধ্যমে দলন-দমনের চিত্র যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে অকুতোভয় ছাত্রজনতার গৌরবময় বিজয় গাথা।
স্বৈরশাসক ক্ষমতাসীন থাকাকালীন কবি নির্ভয়ে এসব কবিতা লিখেছেন! জুলাইয়ে কারফিউ জারির পরে কেউ যখন সরকার বিরোধী কোনো লেখালেখি করেননি, তখনও দুঃসাহসে ভর করে কবি বন্ধু-বান্ধব, স্বজনদের শত সাবধানবাণী উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারী রক্তপিপাসু খুনি সরকারের বিরুদ্ধে এসব কবিতা লিখে প্রতিদিন ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন!