গ্যালারির শেষ মাথার করিডরের মুখে একটা মোটা রশি ঝুলছিল। এর ওপাশে প্রবেশ নিষেধ। অথচ ওপাশেও যে ছবি ঝোলানো আছে, তা এদিক থেকেও দিব্যি দেখা যায়। কী এমন ছবি, যা দর্শকদের দেখা নিষেধ? কৌতূহলী হয়ে উঠলাম স্বভাবতই। গ্যালারির কিউরেটর ও ম্যানেজার মিস্টার হাসনাত রুমিকে খুঁজে বের করলাম একটু পর। একথা-ওকথার পর জিজ্ঞেস করেই ফেললাম অবশেষে, আচ্ছা ওদিকে যাওয়া নিষেধ কেন? ওদিকে তো আরও ছবি আছে মনে হচ্ছে।
প্রশ্ন শুনে একটু গম্ভীর হয়ে পড়লেন হাসনাত রুমি। প্রথমে এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করলেন মনে হলো। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা। রহস্যের গন্ধ পেলে আমাকে সরানো মুশকিল। ব্যাপারটা কী আমাকে জানতেই হবে। অগত্যা রুমি আমাকে কফির আমন্ত্রণ জানালেন তিনতলার টেরেসে।
মুগ্ধ করার মতো সুন্দর গ্যালারি ফুসিয়া হাউস।