আমরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চারপাশের ইতিহাস থেকে যেভাবে জেনেছি- সংঘাতমূলক এরকম ঘটনাগুলো সর্বদাই সাংস্কৃতিক, সমাজ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার যোগফল যা কয়েক ডজন দেশকে এই ধরণের আন্তর্জাতিক যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করেছিল।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে দেখা যায় দুর্নীতিগ্রস্ত সামন্ত রাজা রাশিয়ার জনগণের জাতীয় সম্পত্তি লুট করছিলেন। এরপর তিনি অস্ট্রো হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। এর কিছুকাল পরে সেখানে একদল বিদ্রোহীর হাতে রাজার ছেলে নিহত হন। এই ঘটনা একটি অভ্যুথান মাত্র হয়ে থাকেনি, এর ফলাফল হয়েছিল সুদূর প্রসারী এবং এটাই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশরা তাদের মিত্রশক্তির সঙ্গে মিলে বিপক্ষের দেশগুলোকে চরম দুর্দশার দিকে ঠেলে দেয়। এসমস্ত দেশের একটি হলো জার্মানি। ব্রিটিশ ও তার মিত্রদের দ্বারা সৃষ্ট সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থা ভয়াবহ আকার ধারণ করায় পরবর্তিতে জার্মানিতে এডলফ হিটলারের উত্থান ঘটে, যার নেতৃত্বে প্রস্তুতি চলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে বর্ণনা করা যায় সকল উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা খুঁজে নেওয়ার এক সামাজিক আন্দোলন হিসাবে, যার কারণে বিশ্বের সামাজিক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় আরো বেশি ভারসাম্য তৈরি হতে পারে।