আওয়ামী লীগ আমলে জিয়ার প্রতি নজিরবিহীন অন্যায় করা হয়েছে। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। ক্যান্টনমেন্টে জিয়ার স্মৃতিধন্য বাড়ি ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়ার মাজার জিয়ারতে বাধা দেয়া হয়েছে। শেখ হাসিনা সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়ার মাজার স্থানান্তরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সময় পাননি। হাসিনার আমলে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয়েছে জিয়ার পরিবার। শহীদ প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়ার সহধর্মিণী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সাজানো মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল। তাকে চিকিৎসা লাভে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়নি।
একইভাবে জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল। কেউ ভাবতে পারেনি যে, এ দুঃসহ পরিস্থিতির অবসান ঘটবে। তবে সবকিছুর শেষ আছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অপ্রত্যাশিতভাবে স্বৈরাচারী হাসিনার লজ্জাজনক পতন ঘটেছে। হাসিনার পতন ঘটার সঙ্গে সঙ্গে যড়যন্ত্রমূলক মামলায় বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে। ভোজবাজির মতো জাতির বুকের ওপর থেকে জগদ্দল পাথর সরে গেছে। হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে জিয়াকে নিয়ে বই লেখা সম্ভব ছিল না। লিখলে নির্যাতনের শিকার হতে হতো। আজ দেশ হিংস্র হায়েনার কবল থেকে মুক্তি পাওয়ায় জিয়াকে নিয়ে এ বইটি লেখা সম্ভব হয়েছে। জিয়া হচ্ছেন আমাদের মুক্তির চেতনা। দ্বিতীয় স্বাধীনতার উজ্জ্বল দিনে আমরা যেন তাকে ভুলে না যাই