চাকরিটা এপার্টমেন্ট সিটারের। অত্যন্ত লোভনীয় অফার। বিশেষ এক এপার্টমেন্টে থাকতে হবে তিন মাস, বিনিময়ে জুল পাবে বারো হাজার ডলার।
সমস্যা শুধু একটাই, উদ্ভট কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই কোনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো চলবে না।
এ আর এমন কী, ভাবলো জুল। অভাবের তাড়নায় ঐ বারো হাজার ডলারকেই মুখ্য হিসেবে ধরে নিয়ে পাড়ি জমালো বার্থোলোমিউয়ে।
দু’দিন বাদেই নিখোঁজ হয়ে গেল ওখানকার আরেকজন এপার্টমেন্ট সিটার। মেয়েটিকে দেখে জুলের নিজের হারিয়ে যাওয়া বোনের কথা মনে পড়ে গিয়েছিল। তাই কিছুটা আবেগ, বাকিটা কৌতূহলের বশে সে খুঁজতে নামলো তাকে। আর অচিরেই বুঝলো নিখোঁজ হবার ঘটনা সেখানে এটাই প্রথম না।
কেঁচো খুড়তে বেরিয়ে এলো কেউটে।
একশো বছরের ইতিহাস আর আড়াল হয়ে যাওয়া শয়তান-উপাসকদের একটি গুপ্ত সংঘ চলে এলো তার সামনে। একদল ধনী, ক্ষমতাবান লোকের সঙ্গে তার মতো অসহায় একা একটি মেয়ে কী করে পারবে? কিন্তু জুল তো হাল ছেড়ে দেওয়ার বান্দা নয়। প্রতিজ্ঞা করে ছাড়লো, এর শেষ দেখে ছাড়বে সে। কিন্তু কীভাবে? কীভাবে লড়বে? কী নিয়ে লড়বে?
জুলের এই যাত্রাতে পাঠকদেরকেই কি পাওয়া যাবে? গেলে, নিশ্চিত থাকুন, তারা ঠকবে না। শুধু পাঠকদের যেটা করতে হবে, তা হচ্ছে – পড়তে হবে দরজা বন্ধ করে।