মা সাবিহা রহমান পুত্র সন্তান জন্ম হওয়ার পর হতে টানা
একুশ দিন ঘুমার না। তার ভীষণ ঘুম আসে কিন্তু সে
ঘুমাতে চায় না। ঘুমিয়ে ক্যাল্গারে আত্রান্ত মা সাবিহা
রহমান তার বাকি দিনগুলো নষ্ট করতে চায় না। সে চায়
যতদিন বীচবে ততদিন তার সন্তানের দিকেই চেয়ে চেয়ে
থাকবে৷ বিয়ের সতেরো বছর পর জন্ম নেওয়া সন্তান তার
কাছে পরম পাওয়া |
অনেক কথা সাবিহা রহমানের মাথায় আসে | এসব কথার
সবই দুঃখ আর কষ্টে ভরা। মাথা হতে এসব কথা সরাতে
পারেনা সে।
দুঃখ কষ্ট নিয়ে ভাবতে ভাবতে হঠাৎ পুত্র রিয়ানের দিকে
তাকিয়ে তার মন আনন্দে ভরে ওঠে ৷ রিয়ান হাসছে।
সন্তানের হাসি মায়ের মনে জমে থাকা কষ্ট মুহূর্তেই দূর করে
দেয়।
সাবিহা রহমানের মনে আনন্দ জেগে ওঠে | এই আনন্দ তার
সারা শরীর ছুঁয়ে বায়। সন্তানের সাথে হাজার বছর বীচার
লোভ জাগে | এই লোভ তার হৃদয়ে আস্তে আস্তে বড় হতে
থাকে।
সে সন্তানের হাসিমাখা গালে চুমু খেতে ঠোট এগিয়ে নিয়ে
যায়৷ সন্তানের গালে চুমু খাবে ঠিক তখনই সে রক্তবমি
করে। রক্তবমিতে রিয়ানের সারা মুখ, শরীর ভরে যায়।
শিশু রিয়ান নিষ্পাপ চোখে চারদিকে তাকায়। তার সমস্ত
শরীর রক্তে লাল হয়ে যায়।
মায়ের রক্তের পারফিউম ছোট হতেই রিয়ানকে Bi বড়
হয়ে রিয়ান শহরের অভিজাত তরুণীদের ধারে ধারে যেতে
থাকে মায়ের রক্তের পারফিউমের খুঁজে |