তখনই মায়ের কান্না ভেজা হাসিমুখটা মনে পড়লো। দারুণ চাঙা হয়ে উঠল রতন। ইমরানের পায়ে বল। ইমরান শুভকে বল পাস দিলো। শুভ দিলো অমিকে। অমি এক টাচে বলটা ঠেলে দিলো রতনের দিকে। রতন ডান পায়ে বলটা ধরে আস্তে করে বাম পায়ে নিলো। জামি তখন লাফিয়ে পড়েছে রতনের পায়ে। একটু দেরি হয়ে গেছে। রতন ততোক্ষণে সামনে। জামি ধোঁকা খেয়ে মাঠে পড়ে গিয়েছে। এইবার রতনের সামনে শুধু মাসুদ। দীর্ঘদেহী গোলকিপার। পেছনে দৌড়ে আসছে মামুন। দলের সেন্টার ব্যাক। মাসুদ এগিয়ে এসে রতনের জন্য ছোট করে দিলো জায়গাটা। শট নিলে বারের বাইরে চলে যাবে। গোলপোস্ট কোথায়?