ভোরবেলা আবছা ঘুমের মধ্যে রতন শুনতে পেলো কে যেন তার নাম ধরে ডাকছে। দু'বার, তিনবার শোনার পর মনে হলো গলাটা ঠিক বাবার মতো। সেই একই রকম ডাক; এই রতন, ওঠ না রে, সকাল হয়ে গেছে, সূর্যের মুখটা দেখ বাবা। এভাবে পড়ে পড়ে ঘুমোলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। যারা সকালে সূর্যের মুখ দেখে নি তারা জীবনে অনেক কিছুই দেখে নি। ওঠ বলছি তাড়াতাড়ি, আজ না তোর জন্মদিন!
জন্মদিন আমার!
হ্যাঁ, তোরই তো। তুই ছাড়া এ বাড়িতে রতন শিকদার বলে আর কে আছে বল তো? তা জন্মদিন বলে ধেই-ধেই করে নাচব নাকি? আমি এখন ঘুমাবো। কাল কত রাত্রি পর্যন্ত পড়েছি জানো? তাছাড়া ভোরবেলার ঘুমে কত স্বপ্ন দেখি বল তো, এই সবে মেঘের পিঠে চড়ে রাজকন্যার ঘরে ঢুকছিলাম। আর তুমি দিলে তো ঘুমটা ভাঙিয়ে।