আশ্চর্য বুদ্ধিদীপ্ত একটি চরিত্র ঋষিকুমার। ঋষির ভেতর এক অন্যরকম জগৎ। আকাশে মস্ত কালো মেঘের চাঁই। জমিনে চোরাকাঁটার ডগায় ফড়িং। ঋষির ফড়িং ধরার ভাবনা। ফড়িং ধরতে গিয়ে একদল চোরের সঙ্গে দেখা। ওদের ভাষা বোঝা, সেখানে থেকে থানা-পুলিশসহ আরও কত কী! পাখির প্রতি ঋষির ভালোবাসা অবাক করার মতো। একবার আকাশে ঘুড়ি ওড়ানোর সময় সুতোর সঙ্গে লেগে পাখির একটি ডানা কেটে যায়। পাখিটি উড়তে না পেরে বেদেপাড়ায় গিয়ে পড়ে। সেই পাখির জন্য ঋষির সে কী কষ্ট। ঋষি পাখিটিকে যত্ন দিয়ে ভালো করে তোলে। আবার বাঁশিওয়ালার কাছ থেকে ঋষি বাঁশি বাজানো শিখতে চায়। সুর তুলতে চায় বাঁশিতে। গাইতে চায় নতুন ভুবনের গান। এভাবে এগিয়ে যেতে থাকে গল্প। নতুন ক্যানভাস। অসাধারণ মুন্সিয়ান- ায় এবং চমৎকার শব্দগাঁথুনিতে ঋষিকুমার গ্রন্থটি ঋদ্ধ হয়েছে। ছোটোবড়ো সবার এক বসাতে পাঠ শেষ করার মতো গ্রন্থ এটি।