প্রাচীনকালে চীনের উত্তর সীমান্তে কোন কোন ভ্রাম্যমান সশস্ত্র অশ্বারোহী সন্ত্রাসী প্রায়ই চীনের অভ্যন্তরে হামলা করতো। এছাড়া জিয়োগ্ন নামে চীনের এক পূর্বশত্রু চীনের উত্তর দিক থেকে মধ্য চীনের অন্তর্গত ক্ষদ্র ক্ষুদ্র রাষ্ট্রসমূহকে আক্রমণ করে ভীতসন্ত্রস্থ ও ব্যতিব্যস্ত করে তুলতো।
খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম ও পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে উপরে উল্লেখিত আক্রমণাত্মক গোষ্ঠি ও ভ্রাম্যমান অশ্বারোহী সন্ত্রাসী এবং সশস্ত্র হামলাকারীদের প্রতিরোধকল্পে তৎকালীন চীনের সম্রাট ঝৌ (Zhou) উত্তর সীমান্ত বরাবর ৪,০০০ মাইল (৬,৪০০ কি.মি.) সমভূমি, পর্বত এবং জঙ্গলাকীর্ণ দীর্ঘ এলাকা বিচক্ষণতার সাথে মাটি ও পাথরের (Stone) সাহায্যে প্রাচীর নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ ব্যবস্থা অশ্বারোহী সৈনিকদের প্রতিরোধ করতে যথেষ্ট ও যথার্থ বলে বিবেচিত ছিল।