বিচ্ছুদল দূর থেকে দেখতে চাইল লোকটাকে। তার অবস্থা বোঝার চেষ্টা করল। পিঁপড়াবাহিনীর আক্রমণে এতক্ষণে কতখানি বেহালদশা হলো, তাও বুঝে নিতে চাইল। পারল না। আসলে লোকটা ওদের থেকে কম করে হলেও ত্রিশ-চল্লিশ হাত সামনে ছিলেন। তাই বিচ্ছুদল সিদ্ধান্ত নিল, লোকটা তাদের মহাশত্রু বলে প্রমাণিত হলেও এই মুহূর্তে লাখ লাখ সৈন্য পিঁপড়ার ভয়াল আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে। কিন্তু কীভাবে?
তার পর ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। ঘটনার পর ঘটনা। মামার সঙ্গে একবার ভূত দেখতে গিয়ে কী বিপদই না হয়েছিল সেইবার! বাপরে, পড়তে গেলে গা ছমছম করে ওঠে!
বাদল যেমন মহাডানপিটে, তেমনি সাহসী। বাড়ি থেকে পালিয়েছিল চাঁদনী রাতের আকাশ দেখতে। তাও যেনতেন বাড়ির দোতলায় ওঠেনি সে, একেবারে ভূতুড়ে বাড়ি! সেখানেই ঘটে নানা মজার ঘটনা। সোনার কলম খুঁজতে গিয়েও ঘটেছিল ভূতুড়ে নানা কাও।
তোমাদের যাদের ভূতটুতে বিশ্বাস নেই বা দেখা পেলে সেইসব ভূতটুতকে বন্ধু বানাতে ওস্তাদ, তাদের জন্যই 'ভূত ভূতুড়ে' বইটি। পড়তে পড়তে এমন এক ভূতরাজ্যে ঢুকে যাবে যে, নিজেকেই মনে হবে ভূতরাজ্যের রাজপুত্তুর! তাদের জন্যও এই বই, যারা ভাবুক, যারা পড়তে ভালোবাসো, যারা গবেষণা করতে ইচ্ছুক। তা হলে চলো, পড়া শুরু করা যাক...