আট বছর আগে সে তার বন্ধুকে নর্থ ওয়ালে বিদায় জানিয়েছিল, বলেছিল, শুভযাত্রা। তা উন্নতি গ্যালাহার করেছে। তার বিদেশি চাল, কাটছাঁট করা টুইডের স্যুট আর নির্ভীক উচ্চারণ দেখে এক লহমায় তুমি সেটা টের পাবে। তার মতো প্রতিভা কম লোকেরই ছিল আর এত সাফল্যের পরেও অবিচলিত থাকতে পারে তো আরো কম লোক। গ্যালাহারের মন ঠিক সেই রকমই আছে, জয় তার প্রাপ্যই ছিল। তার মতো বন্ধু পাওয়া মানে কিছু একটা পাওয়া।
লাঞ্চের পর থেকে খুদে শ্যান্ডলারের মাথায় গ্যালাহারের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ, গ্যালাহারের নিমন্ত্রণ, গ্যালাহার যেখানে থাকে সেই বিরাট লন্ডন শহরটার কথা এইসবই কেবল ঘুরেফিরে আসছে। যদিও সাধারণ মাপের তুলনায় সামান্যই খাটো সে তবুও তাকে খুদে শ্যান্ডলার বলা হয় কারণ তাকে দেখে মনে হয় যেন দিব্যি ছোটখাট একটা মানুষ সে। হাতগুলো সাদা এবং ছোট, পাতলা চেহারা, গলার স্বর এবং আচার- আচরণ মার্জিত। তার সুন্দর রেশম চুল আর গোঁফের চরম যত্ন নিত সে, রুমালে সুগন্ধি ব্যবহার করত সতর্কভাবে। তার নখের অর্ধচন্দ্রাকার আকৃতিগুলো ছিল নিখুঁত আর সে হাসত যখন বাচ্চাদের মতো একসারি সাদা দাঁত চোখে পড়ত এক ঝলক।