ফিরে এলেন হোজা। দীর্ঘ নির্বাসনের পর ফিরে এলেন বুখারায়, তার জন্মভূমিতে।তার আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব কেউ আর বুখারায় নেই। তার বাসভূমিও পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বুখারায় পা রাখার পর থেকে নানান ঘটনার ঘনঘটায় জড়িয়ে পড়লেন হোজা। তিনি উদ্ধার করে বসলেন মহাজন জাফরকে। সেই জাফরের কাছেই আরও অসংখ্য লোকের মত ঋণদায়গ্রস্থ বুড়ো নিয়াজ আর তার মেয়ে গুলজান। হোজা কি পারবেন একঘন্টার মধ্যে নিয়াজকে দাসবৃত্তির হাত থেকে উদ্ধার করতে? পারবেন গুলজানকে আমীরের হারেম থেকে উদ্ধার করতে? পানিতে ডুবিয়ে মারার জন্য লোকচক্ষু এড়িয়ে হোজাকে বস্তাবন্দী করে নিয়ে যাচ্ছে সৈন্যরা। হোজা কি পারবেন নিজেকে উদ্ধার করতে? কিন্তু এটাও ভুলে গেলে চলবে না, আমরা হোজা নাসিরুদ্দীনের গল্প বলছি। ভাগ্যের হাতের ক্রীয়নক হয়ে থাকা তার স্বভাবে নেই। হাসি-কান্না আর প্রেম-ভালোবাসার মাঝে জন্ম হলো হোজা নাসিরুদ্দীনের আরো একটি গল্পের। আপনাদের সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ এই উপাখ্যানে অবগাহনের।