কেমনে আমি তোমাদের বলবো, ‘হাওয়াবিতানের’ ভিতর ঢুকে আমার মনে হলো অনেকগুলো আধখোলা দরজার সামনে আমি দাঁড়াইয়া ছিলাম নামহীন, ব্যাখ্যাহীন এক অস্বস্তিকর স্পর্শের মতো। প্রেম যেখানে ঘোষণা নয়, বরং কবিতার ইমেজারি, ভাঙা সময় ও ভাঙা টেক্সটের মতো দৃশ্যের কোলাজ। প্রতিটা পৃষ্ঠা একেকটা অসমাপ্ত চিঠির মতো, ভাষাহীন, ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে চলা পথ, যে চিঠির প্রাপক আমি নই।
এই ভাষাহীনতার অভিজ্ঞতা আধুনিক বাংলা কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা। যে ধারার এক্সটেনশনই একদিকে কবির চোখে ‘সময়কে তুলাদণ্ডে মেপে দেখার’ মতো বিমূর্ত আগ্রহ, অপরদিকে কথ্যভাষার আধুনিকতাকে লোকজ শোকের সঙ্গে মিশিয়ে দেয়ার অভিসন্ধির জন্ম দেয়।
রাত অনেক হয়েছে। পাতায় পাতায় আততায়ীরা বাজিয়ে চলেছে জ্যাজ মিউজিক- তুমি ঢুকে পড়ো ক্লাবে ‘গুপ্ত সংঘের বাতি নিভে গেলে’ আজকে এই হাওয়ার বিতানে।
- রাতুল রাহা