ধাতব সে-আওয়াজ তার পেটের ভেতর পরপর পাঁচবার বাজল। ফাদার আনহেল ঘণ্টাধ্বনির শেষ অনুরণনটুকু মিলিয়ে না-যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন। তারপর ঝুলন্ত দড়িটা আঁকড়ে কব্জির সঙ্গে পেঁচিয়ে নিতে গিয়ে আঙুলের চিড়ধরা ব্রোঞ্জের আঙটিটাকে দোষী সাব্যস্ত করলেন।
তার বয়স এখন একষট্টি। এ বয়স ঘণ্টা বাজানোর জন্য আসলেই একটা ঝামেলা। তবু সাধারণের মঙ্গলের জন্য এ কাজটা সব সময়ই তিনি করছেন। কারণ, এ শ্রমসাধ্য কাজটা মনোবল বাড়ায়।
ত্রিনিদাদ রাস্তার দিকের দরজাটা ধাক্কা দিয়ে খোলার সঙ্গে সঙ্গে গির্জার ঘণ্টাটা বাজতে শুরু করে। সে দরজা পেরিয়ে যেখানে ইঁদুরধরাকল পেতেছিল সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, যা ঘটেছে তা একই সঙ্গে পরিতাপের এবং আনন্দের। কারণ, ছোটোখাটো হলেও সেটা এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডই।
চাপ দিয়ে ফাঁদটাকে আগলা করে বাঁহাতের দু-আঙুল দিয়ে মরা ইঁদুরটার লেজ ধরে টেনে তোলে। তারপর ছুড়ে দেয় ময়লা ফেলার কার্ডবোর্ডের বাক্সে।