বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতা যুদ্ধ করছে, বাংলাদেশের গাঘেঁষা ভারতীয় অংশে চলছে নকশালবাড়ি আন্দোলন। সে ঢেউ বাংলাদেশেও লেগেছিল। শ্রেণিশত্রæ নিধনসহ দেশ ও সমাজ বদলে দেয়ার একই ধরনের আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কার তরুণ- তরুণীরা। ১৯৭১-এর এপ্রিলে এই আন্দোলনের বিস্ফোরণ ঘটে। পুণ্যকান্তে বিজেনায়েক, শ্রীলঙ্কার অন্যতম প্রধান একজন কথাশিল্পী নিবিড়ভাবে এই আন্দোলনকে দেখেছেন, তরুণ-তরুণীদের অকাতরে জীবন দান প্রত্যক্ষ করেছেন। সে কাহিনি মমতাভরে তুলে এনেছেন তাঁর লেখাতে।
‘দ্বিতীয় একটি গুলির শব্দ, এবার সজোরে এবং ঠিক পেছন থেকে। কুমারী সামনে ঝুঁকে পড়ল। মাথা তুলতে খুব চেষ্টা করল, শরীরে আগুনের আঁচ অনুভব করল। তার স্তনযুগল আবার কেঁপে উঠল। চোখ নামিয়ে দেখল, এর নিচে রক্তের প্রশস্ত স্রোতধারা। শক্তি হারিয়ে কুমারী রক্তের ওপর পড়ে গেল। কুমারী নিজের রক্তের ওপরই মৃত্যুবরণ করতে চেয়েছিল।’
আন্দালিব রাশদীর পাঠক জানেন, তাঁর উপন্যাস হাতে নিলে যেমন শেষ না করে উঠা যায় না অনুবাদ- উপন্যাসেও তা-ই।