বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
পাঁচ বছর বয়সী ছোট্ট একটা মেয়ে মাটিল্ডা। ছোট হলে কী হবে তীক্ষ্ণবুদ্ধি তার। বাবা-মায়ের অযত্ন আর অবহেলায় বেড়ে উঠছিল সে। বইয়ের সঙ্গেই তার বন্ধুত্ব। স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর প্রধানশিক্ষিকা মিস ট্রাঞ্চবুল তার জীবন দুর্বিষহ করে তুললেন। কিন্তু শিক্ষিকা মিস হানির কাছে সে লক্ষ্মী একটা মেয়ে। একটা প্রতিভা। মিস হানির সান্নিধ্যে তার প্রতিভা আরো বিকশিত হতে থাকে। মাটিল্ডাকে ঘিরে চারপাশে ঘটতে থাকে একের পর এক চমকপ্রদ ঘটনা।
আত্মবিশ্বাসী মেয়েটির প্রতিকূল পরিবেশ পাড়ি দেওয়ার গল্পই বলা হয়েছে এ উপন্যাসে। প্রশ্ন হলো, ক্ষুরধার মেধা আর স্বচ্ছ চিন্তার অধিকারী বাচ্চা মেয়েটা কি হেরে যাবে তার বাবা-মায়ের কুটিলতার কাছে? সে কি পারবে বদমেজাজী ট্রাঞ্চবুলের কবজা থেকে মিস হানিকে বাঁচাতে?