আদতে আমি কেউই না,কিছুই না। হয়তো মানুষের দেহে আটকা পড়া শুধুই একটা আকৃতি,হয়তো কফি শপের দেয়ালে আমার শরীর অস্পষ্ট যে ছায়া তৈরি করেছিল-সেটাই ছিলাম আমি। হুটি আমাকে এই কফি শপে ছেড়ে চলে যাওয়ার মুহূর্তেই বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। ক্যাফেতে বসে অপেক্ষা করছিলাম সে বৃষ্টি ঝরে যাওয়ার। কিছুক্ষণ আগে এজেন্সির অফিসেই আমাদের শেষ দেখা। অন্য দিনগুলোর মতো আজও হুটি তার বিশাল টেবিলের অন্য প্রান্তে বসে ছিল। তবে তার গায়ে চাপানো স্যুটখানা বুঝিয়ে দিচ্ছিল,আর বেশিক্ষণ নেই সে,এখনই অফিস ছেড়ে বেরিয়ে যাবে। ক্লায়েন্টদের জন্য যে চামড়ার গদি আঁটা চেয়ারগুলো ছিল,তারি একটায় আমি বসে পড়লাম হুটির মুখোমুখি হয়ে। ওপালাইন ল্যাম্পের আলো বারবার আমার চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছিল। ‘তো গায়,এটাই খবর… সব শেষ… বুঝতেই পারছ’-হুটি একটা দীর্ঘশ্বাস চেপে বলল।