"আজ গোবিন্দ রায়ও নেই ধীর প্রবাহিনী যমুনাও নেই, সুতরাং তার বিশাল তটে রূপের হাটে নীলকান্তমনি বিকিকিনিরও প্রশ্ন ওঠে না। তবে একদা জামতৈল নিবাসী আমাদের তরুন কবি খোরশেদ বাহার নীলকান্তমণি না হলেও নীল যমুনাকে সহজে ছাড়ার পাত্র নন। যমুনা তার নিস্পাপ শৈশবের স্বপ্ন, সাধ আহাদ আনন্দ ফুর্তি, যা কিছু হতে পারে- সব কিছু নিয়ে মুখ ফিরিয়ে বাঁক ঘুরে চলে গেছে অন্য দিকের ধূ ধৃতে। নিজও হয়ে পড়েছে নিস্তরঙ্গ, নিস্তেজ। বাহার যমুনাকে নিংড়ে অন্তত একবার হলেও দেখতে চান কি দোষ করেছিল সে যমুনার কাছে-কেন যমুনা তার প্রতি বিমুখ হয়ে উঠল। যার জন্য বাহার তার প্রথম কাব্য গ্রন্থের নামকরণও করেছেন 'নীল যমুনা'। এসব জটিল-কুটিল প্রশ্নের জবাব খুঁজে পাইতে সর্বমোট পঁয়তাল্লিশটি কবিতার প্রতি ছত্রে ছত্রে বাহার সেই প্রশ্নই বারবার তুলে ধরেছেন হৃদয়ের রক্তক্ষরণ থেকে।-