এই কাব্যগ্রন্থে সমাজের প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের নীরব চিৎকার প্রতিধ্বনিত হয়েছে। কবির কলমে শাসনের অবিচার, বৈষম্যের কষাঘাত, আর যুদ্ধের ভয়াবহতা রক্তমাখা শব্দে রূপ নিয়েছে। প্রেমিকার অবহেলায় জ্বলে ওঠা অন্তরের ক্ষত মিলেমিশে গেছে দেশ ও সময়ের বেদনায়। এখানে ব্যক্তিগত প্রেম ও সামষ্টিক যন্ত্রণা একাকার হয়ে গড়ে তুলেছে প্রতিরোধের ভাষা। এই কবিতা-জগৎ হলো এক বিদ্রোহী আত্মার স্বীকারোক্তি- যে ভালোবাসে, অন্তরে পুষে রাখে গভীর ক্ষত, তবুও নীরব হতে শেখে না।