মানুষের আসল চেহারা কি কেবল বিপদের সময়েই চেনা যায়?
নাকি কারো কোনো বড় প্রাপ্তি সেই মানুদের ভেতরের বিষাক্ত রূপটাকে প্রকাশ করে?
নিমরাহ আহমেদের শ্বাসরুদ্ধকর উপন্যাস ‘পারস’ পাঠককে এমন সব কঠিন প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়।
গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারস নামের এক ভাগ্যবিড়ম্বিত মেয়ে। নিষ্ঠুর সৎ মা ও ভাইয়ের সংসারে অবহেলিত পারসের জীবন মুহূর্তেই বদলে যায় এক আকস্মিক ঘটনায়। নিভৃতচারী ও বয়সে বড় রয়্যাল হোটেলের মালিক রিজওয়ান হায়াতের সাথে বিয়ে হওয়ার পর সে রাতারাতি দেশের অন্যতম দামী হোটেল চেইনের মালিক হয়ে যায়। কিন্তু ভাগ্য কি সত্যিই তার সহায় ছিল?
বিয়ের মাত্র দেড় মাসের মাথায় এক রহস্যময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান রিজওয়ান। আর সেই মৃত্যুর পরেই শুরু হয় এক ভয়ংকর খেলা। রিজওয়ানের ভাই-বোন এই মৃত্যুকে স্রেফ ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে মানতে নারাজ। তাদের বিষাক্ত দৃষ্টি পারসের সম্পদের দিকে। ভাই হত্যার প্রতিশোধ নাকি বিশাল ঐশ্বর্যের লোভ— কোনটি মুখ্য বিষয় হয়ে উঠবে তাদের কাছে?
একদিকে আপনজনদের চরম বিশ্বাসঘাতকতা, অন্যদিকে লোকচক্ষুর অন্তরালে লুকিয়ে থাকা এক ভয়ংকর সত্য। পারস কি পারবে এই ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে? নাকি সে নিজেই হারিয়ে যাবে তার মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া সাম্রাজ্যের গহীনে?
রহস্য, ঘৃণা এবং অপ্রত্যাশিত মোড়ে ঠাসা এই উপন্যাসটি আপনাকে শেষ পাতা পর্যন্ত আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখবে।