ঐতিহাসিক শুরু করলেন-
চীন। তারই নগর। পুরাকালের প্রাচীর উদ্ধতগর্বে দাঁড়িয়ে আছে। সারি সারি বাতিল কামান পাতা। নিচে অলিগলির সতরঞ্চ ছক। দিনের বেলা সেখানে ভিড়ে ভিড়। আফিমের গন্ধে মাতোয়ারা। আর আছে ফেরিওয়ালাদের ভাজা-ভুজির ঝাঁজালো খোশবাই। পথে পথে পসরা নিয়ে বসেছে দোকানিরা। কী আছে? জুতো আছে, কাপড় রঙ-করিয়েদের ঝলমলে রঙ-বেরঙের কাপড় আছে। আরো আছে কত কী।
হঠাৎ একদল শুয়োরের পাল চলে গেল। ঘণ্টা বাজিয়ে চলে গেল ইয়াং চে। ভিখারিরা এসে ধরেছে ছেঁকে। তাদের আবেদন উচ্চগ্রামে উঠছে। আবেদন তো নয়, নির্যাতন।... এ পথের ধারে ধারে দেয়াল-ঢাকা প্রাসাদের সার। সেখানে থাকেন ধনিকেরা। সাবেক আমলের পুথি আর তব্বির নিয়ে কাটান। যিনি শিল্পের ক-অক্ষর বোঝেন না, তিনিও নাগর-বৃত্তি করেন শিল্প নিয়ে।... রাতে শহরের ফটকগুলো বন্ধ হয়ে যায়। নির্জন হয়ে আসে পথ-ঘাট। তোরণে তোরণে প্রহরে প্রহরে শুধু ঘণ্টা বাজে। ঢং ঢং ঢং! পাহারাওয়ালারা বাঁশের দামামা বাজায়!... এই তো চীন, হাজার হাজার বছর ধরে এখনি আছে।