মীর্জা মনোয়ার হাসান একজন কবি। একজন সংগঠক। মনোয়ার কবিতা লিখা শুরু করেন কলেজে অধ্যয়নকালে সেই ১৯৭২ সাল থেকেই। কক্সবাজার কলেজে অধ্যয়নকালে আরো কয়েক বন্ধুকে নিয়ে কাব্য আন্দোলন শুরু করেন। তারই ধারবাহিকতায় অনেকেরই হাতেখড়ি হয়--লেখালেখিতে। তবে সে তুলনায় তিনি গ্রন্থিত হননি। ১৯৮২ সালে প্রথম যুগল কাব্যগ্রন্থ ‘সমুদ্রের উল্টো দিকে যাত্রা’ প্রকাশিত হয়। দীর্ঘদিন পরে পাঠকের কাছে আসছে তার ‘রুবাইয়াত’। কবিতার পাশাপাশি তিনি ‘রুবাই’ লিখছেন অনেকদিন ধরে। তার বাংলা ‘রুবাই’তে রয়েছে নতুনত্ব। ‘রুবাইয়াত-ই-মীর্জা’র মাধ্যমে পাঠক এক নতুন মনোয়ারকে খুঁজে পাবেন। রুবাইয়াত-ই-মীর্জা’র আগে মনোয়ারের ‘মহাবিশ্ব ও নবীদের কাহিনি’ নামক শিশুতোষ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে।
২০০১ সালে কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমি গঠনের পেছনে মনোয়ারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণেই গবেষক-কবি কৃষিবিদ জয়নাল হোসেন বলতেন, ‘কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমির প্রাণ, মীর্জা মনোয়ার হাসান।” সত্যি মনোয়ার না হলে কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমি ২৬ বছরে পৌঁছাতো কিনা বলা মুশকিল।
কবির ‘রুবাইয়াত-ই-মীর্জা’র বহুল প্রচার কামনা করছি। আমার বিশ্বাস কবির গ্রন্থটি পাঠকপ্রিয়তা পাবে।