'নিখুঁত লেখা বলে কিছু নেই, যেমন নেই নিখুঁত হতাশা বলে কিছু।' কলেজে পড়ার সময় ঘটনাচক্রে এক লেখকের সঙ্গে আমার দেখা হয়। তিনি এ কথা বলেন। তবে এ কথা দিয়া কী বোঝানো হয়েছে, তা বুঝতে আমার অনেক দিন লাগে। আর তা বোঝার ফলে এক ধরনের স্বস্তি এসে আমার ভেতরে বাসা বাঁধে। লেখার নিখুঁত স্টাইল বলে আসলে কিছু নেই। তবে তা বোঝার পরও, কিছু লেখার কথা ভাবতে গেলে অসহায় হয়ে পড়ি।
কেননা যা নিয়ে লেখা সম্ভব, সে বিষয়ে লেখার সামর্থ্য আমার খুবই সীমিত। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি আমি হাতি নিয়ে কিছু লিখতে যাই, তখন দেখা যাবে, কোন শব্দগুলো ব্যবহার করতে হবে, সে ব্যাপারে আমার ধারণা একেবারেই তলানিতে ঠেকা। ব্যাপারটা তখন এ রকম ছিল। তাই আট বছর ধরে এই টানাপড়েনে আমাকে ভুগতে হয়। এক-দুই নয়, আট বছর-বেশ দীর্ঘ একটা সময়।