জায়গাটি দ্যা পোর্ট অফ হেয়দারপাসা ইন ইস্তানবুল (ISTANBUL)। ইস্তানবুল সী-পোর্ট।সময় অন্ধকার ফুঁড়ে ভোর হয় হয়। সূর্য ওঠেনি তখনও। ম্যানিলা চীফের অর্ডার পেয়ে ছুটে এসেছে সী-পোর্টে। সবকিছুর ঊর্ধ্বে ওর এখন একটাই কাজ, রিহানের খুনীকে পাকড়াও করেই কপালের মাঝ বরাবর শ্যুট করে, খুনীটার মৃত্যু নিশ্চিত করা।
চীফ বলেছে পায়ে শ্যুট করে পুলিশে সোপর্দ করতে। ম্যানিলা তা মোটেই করবে না। সে খুনীর কপাল ফুটো করে তাকে পরপারে পাঠাবে তারপর নিজে ঝাঁপ দেবে সমুদ্রে।
রিহান হীন এ পৃথিবীতে আর একটি মুহূর্ত নিঃশ্বাস নেবে না ম্যানিলা।মুখোশের আড়ালের মানুষটির স্থির নজর সম্মুখে দাঁড়ানো অগ্নিকন্যার সুগভীর নাভীমূলে। ওখানে একটি চুমু না খেলেই নয়।মরণ নিশ্চিত জেনেই দীর্ঘ এক পদক্ষেপ এগোবার উদ্দেশ্যে জাম্প দিয়েই হাটু গেঁড়ে দুম্ করে বসে।আর ঠিক ঐ মুহূর্তে চোখবুঁজে ম্যানিলা শ্যুট করলো রুহান মাজহারের দুই চোখের মাঝ বরাবর একটু ওপরে, আইব্রোজের মধ্যভাগে।