ফ্ল্যাপে লেখা কথা
‘প্রথম যখন স্প্যানিশে বেরুলাে, টানেল নামের এ উপন্যাসটি তখনই জয় করে নিল টোমাস মান ও আলবেয়ার কামুর প্রশংসা এবং একে বর্ণনা করা হলাে অস্তিত্ববাদের এক ধ্রুপদি উপন্যাস হিসেবে, কিছুকাল আগে নিউইয়র্ক টাইমস বুক। রিভিউয়ের এক আলােচনায় সে কথাই আবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। বাস্তবিকই, টানেল বিশ শতকের তুমল প্রসংসিত উপন্যাসের একটি। টানেল আর্জেন্টিনার লেখক এরনেস্তো সাবাতাের এক গভীর, প্রেম ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
‘হুয়ান পাবলাে কাস্তেল একজন চিত্রকর, এক ছবির প্রদর্শনীতে সে দেখা পায় মারিয়া ইরিবার্নে নামের এক নারীর। তারপর থেকেই তার জীবন আমূল বদলে যেতে থাকে। যত সে মারিয়ার ঘনিষ্ঠ হতে থাকে ততই এক গভীর কালাে সুড়ঙ্গে খাবি খেতে থাকে সে: এসময়ে সে জানতে পারে যাকে সে প্রেমিকা ভাবছে সে আসলে বিবাহিত, তার স্বামী একজন ধন্যাঢ্য অন্ধব্যক্তি, সে জানতে পারে আগেও তার এক প্রেমিক ছিল যে, তীব্র বিরাগে আত্মহত্যা করেছে... বিক্ষিপ্তমনা কাস্তেল যত মারিয়ার এসব অজানা কথা আমলে নিতে থাকে ততই মারিয়ার প্রতি তার দখলি মনােভাব তীব্র হতে থাকে, তীব্র হতে থাকে তার ঈর্ষাবােধ, প্রেম...যে কারণে উপন্যাসের প্রথম বাক্যই শুরু হয়েছে মহা বির্পযের এক খবর দিয়ে: জেলখানা থেকে হুয়ান পাবলাে কাস্তেল বর্ণনা করছে এই অসামান্য কাহিনির।