‘জবা’ — এক নারীর জাগরণের উপন্যাস।
জবার জন্ম যেন ছিল এক অভিশাপ। দরিদ্র পিতা-মাতার অবহেলায়, সমাজের তুচ্ছতাচ্ছিল্যে, সে বড় হয়েছে অবদমিত এক জীবনের ছায়ায়। কিন্তু সেই ছায়ার মধ্যেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে তার প্রতিবাদী সত্তা।
যৌবনের প্রারম্ভে, এক বিশ্ববিদ্যালয়-পড়ুয়া ছেলের সঙ্গে জবার প্রেম—একটি নিষ্পাপ স্বপ্নের মতো শুরু হলেও সমাজের কঠিন নিয়ম, শ্রেণি-বিভাজন ও পরিবারের শাসনে তা ভেঙে যায়। পরে জবার বিয়ে হয়, কিন্তু সংসারের সুখ তার কপালে লেখা ছিল না। প্রবাসী স্বামী সাত বছর পর ফিরে এলে, বিয়ের এগারো বছরে জমে ওঠা দুঃখ, অবহেলা ও নিপীড়নের ভারে জবা নিজেই সিদ্ধান্ত নেয়—তালাকই তার মুক্তি।
তালাকের পর জবা নিজের ভেতরে এক নতুন আলো খুঁজে পায়। সে প্রতিষ্ঠা করে ‘নারী জাগরণ ক্লাব’, যার মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের পাশে দাঁড়ায়—অন্যায়, কুসংস্কার, যৌতুক, ও পুরুষতান্ত্রিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালায়। জবা হয়ে ওঠে সেই কণ্ঠস্বর, যা এতদিন নীরব ছিল।
উপন্যাসের শেষ অধ্যায়ে, সমাজকেও হতবাক করে জবার আরেকটি কঠিন সিদ্ধান্ত—সে নিজের পুত্রকেই ত্যাজ্য ঘোষণা করে। কারণ, যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সে সারা জীবন লড়েছে, সেই অন্যায়েরই প্রতিফলন সে দেখে নিজের সন্তানরূপে।
‘জবা’ শুধু এক নারীর গল্প নয়—এ এক সময়ের, এক সমাজের, এক জাতির বিবেকজাগানিয়া প্রতিরোধের কণ্ঠস্বর।
— রয়েল সম্পাদনা পর্ষদ
| বইয়ের নাম | রক্তজবা |
| লেখক | জসিম গাজী |
| প্রকাশনী | রয়েল পাবলিকেশন |
| ভাষা | বাংলা |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | 300 |
| সংস্করণ | 1st Published, 2025 |
| বিভাগ | Biographical Novels |
নাবামার্টে অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও রিটার্ন সম্পর্কে।
চূড়ান্ত ডেলিভারি চার্জ চেকআউটে দেখানো হয়।